ডিজিটাল অন্তর্ভূক্তিতে অনুঘটক ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার : পলক

৩ জুন, ২০২১ ১৫:৪৯  
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণে ক্ষুধা-দারিদ্র ও বৈষম্য মুক্ত দেশ গড়ে তুলতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে বাহন হিসেবে ব্যবহার করছে বাংলাদেশ সরকার। এর মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের জীবন মানের উন্নয়নে প্রযুক্তি ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে উৎপাদনশীলতা। দেশে উদ্ভবিত ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সিস্টেম এই অভিযাত্রায় দিয়েছে গতি। আর এর পেছনে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে অবস্থিত ডিজিটাল সেন্টারগুলো। এর মাধ্যমে কেউ আর ডিজিটাল রূপান্তরের বাইরে থাকছে না। ডিজিটাল মাধ্যমে সংযুক্ত কিংবা অসংযুক্ত কেউই যেন ডিজিটাল সেবার বাইরে না থাকে সেভাবে সরকার রূপকল্প বাস্তবায়ন করছে বলেও উল্লেখ করেছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। প্রান্তিক পর্যায়ে ডিজিটাল সংযুক্তির টেকসই কাঠামো গঠনের মাধ্যমেই বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পাশাপাশি অতিমারিতেও এগিয়েছে বলে মন্তব্য করেন পলক। জাতিসংঘ আয়োজিত ডিজিটাল সহযোগিতা ও সংযোগ সম্পর্কিত উচ্চ পর্যায়ের বিষয়ভিত্তিক দুই পর্বের ভার্চুয়াল বিতর্ক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। বক্তব্যে বৈশ্বিক দুর্ভিক্ষের মধ্যেও বাংলাদেশ কীভাবে এগিয়ে গেলো তার বিবরণ তুলে ধরেন তিনি। অংশীজনদের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদের এই বিতর্ক সভায় সভাপতিত্ব করেন কোরিও সেজারা আরিয়ালা রামিয়েস। বিতর্ক সঞ্চালনা করেন প্রযুক্তি সহায়ক ব্যবস্থাপনায় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধীনে গঠিত টেন মেম্বারস গ্রুপের প্রধান হোসে রামেন লোপেজ পোর্তিলো। অধিবেশনের শুরুতেই ইউএনওডিসি’র নির্বাহী পরিচালক ঘাদা ওয়ালি সাইবার দুবৃত্তরা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য এবং অধিকারকে কতটা বিপজ্জনক করে তুলছে সে বিষয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরেন। আলোচনায় অংশ নেন পিডব্লিউসি গ্লোবাল চেয়ারম্যান বব মরিজ, দুবাই কেয়ারস এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. তারিক আল গার্জ ছাড়াও জতিসংঘ অধিভুক্ত দেশের একজন করে প্রতিনিধি বক্তব্য রাখেন।